কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেনএবং ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা ইনকাম করা সম্ভবচলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক

হ্যালোআসসালামু আলাইকুম।

আজকের এই পোস্টটিতে আমি আলোচনা করব কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে হয়। এবং ফ্রিল্যান্সিং করে কত টাকা ইনকাম করতে পারবেনসেই সাথে কিভাবেই বা একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হবেন। আপনি যদি সবেমাত্র ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে থাকেনঅথবা আপনার একটি বিদ্যমান বিজনেস রয়েছে আপনি সেটিকে আরো বড় করতে চান। তাহলে ফ্রিল্যান্সিং হতে পারে আপনার জন্য দুর্দান্ত একটি উপায়। এই এই পোস্টটিতে আপনি কিভাবে শূন্য থেকে একটি সফল ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার তৈরি করবেন। আমি সেই বিষয়ে কিছু ইম্পরট্যান্ট টিপস আপনাদের সাথে শেয়ার করব।


স্টেপ :-

আপনার মেইন নিসআপনি যে সেক্টরে কাজ করবেন আপনি যে স্কিল আপনার পটেনশিয়াল ক্লায়েন্টের আপনি প্রোভাইড করবেন। আপনার সেই স্কিলটা এবং আপনি যে যে সার্ভিস আপনি আপনার ক্লাইন্টকে প্রোভাইড করবেনসেই সার্ভিস এর একটা লিস্ট তৈরি করতে হবে।

 

ফ্রিল্যান্সিং করার ক্ষেত্রে আপনার যে স্ক্রিলটা আপনার মেইন নিস আপনি যে সেক্টরে কাজ করবেন। এটা খুবই কেয়ারফুলি আপনি সিলেক্ট করবেনআদারওয়াইজ আপনি পস্তাবেন। কারণ আপনার যে ফ্যাশনটাআপনি যে রিলেটেড আপনার অলরেডি আগ্রহ রয়েছে। আপনার প্যাশনকে আপনি প্রফেশন বানানোর চেষ্টা করবেন। 


আপনি যদি আপনার প্যাশনকে প্রফেশন বানাতে পারেন , তাহলে আপনার মনেই হবে না যে আপনি কাজ করতেছেন। আপনার নিস খুঁজে বের করার পরে আপনার যে সেক্টর ওই সেক্টর আপনি কি কি সার্ভিস আপনার পটেনশিয়াল ক্লায়েন্টের আপনি প্রোভাইড করতে পারেন এবং আপনার যে কম্পিটিটার আছে এদের একটা লিস্ট করতে হবে। এবং আপনি কিভাবে আপনার ক্লাইন্টের আপনি কম্পিটিটার থেকে বেটার সার্ভিস আপনি প্রোভাইড করতে পারেন।

 

আপনার কম্পিটিটার মে সার্ভিসটা আপনার ক্লাইন্ট এর প্রোভাইড করতে পারছেআপনি তার থেকে বেটার কিভাবে আপনি দিতে পারেন আপনার ক্লায়েন্টকে। এক্ষেত্রে আপনার একটি পার্সোনাল ব্রান্ডিং হবে। আপনি যদি আপনার কম্পিটিটারদের থেকে বেশি ভালো আপনার ক্লায়েন্টকে প্রোভাইড করতে পারেন। 

সেটা হতে পারে

  • আপনার কাজের কোয়ালিটি।
  • হতে পারে আপনার সার্ভিস।
  •  হতে পারে আপনার যেকোনো কিছু।

 

আপনি যদি বেশি ভালো আপনার ক্লাইন্টকে প্রোভাইড করতে পারেন। তাহলে ডেফিনেটলি ক্লাইন্ট আপনাকে বেশি পে করতে রাজি হবে এবং ডেফিনেটলি আপনার বিজনেসটা আরো গ্র করবে এবং প্রফিটেবল হবে।

 

নাম্বার স্টেপ:-

আপনার একটি স্ট্রং পোর্টফোলিও তৈরি করতে হবে। এটা খুব ইম্পর্টেন্ট আপনার একটা স্ট্রং পোর্টফোলিও বানানো। অনেকে ফাইবারে কাজ করে থাকেঅনেকে বিভিন্ন মাইক্রো সাইটে কাজ করে থাকেতাদের তো আরো বেশি  Recommand করব যে একটা স্ট্রং পোর্টফোলিও বানানো। কারণ ফাইবার একাউন্ট আজকে আছে কালকে নাইফাইভারে কোন গ্যারান্টি নাই।

 

 আপনি যদি upwork এও কাজ করে থাকেন তাহলেও আমি recommand করব  একটি পোর্টফোলিও বানানো। আপনি যদি আইটি রিলেটেড ফ্রিল্যান্সার হন তাহলে আমি recommand করব LinkedIn ইউজ করার জন্যকারণ LinkedIn প্রফেশনালদের জন্য একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়াযেখানে আপনি সবসময় প্রফেশনালদের পেয়ে যাবেন। কোম্পানির সিইও থেকে শুরু করে সিটিও থেকে শুরু করে ইমপ্লয়ী পর্যন্ত আপনি সবাইকে পেয়ে যাবেন সেখানে। 


তাই আমি সাজেস্ট করব আপনি যদি টেকনোলজি রিলেটেড সার্ভিস প্রোভাইড করতে চানতাহলে আমি সাজেস্ট করব আপনি লিংকডইন একটি স্ট্রং প্রফাইল ক্রিয়েট করেন এবং আপনার পোর্টফোলিও সেখানে অ্যাড করুন। আপনার সার্টিফিকেশন আপনার অভেরাল প্রোফাইলটাকে আপনি স্ট্রং করেনইভেন আপনার যদি পর্যাপ্ত কোয়ালিফিকেশন থাকে দক্ষতা থাকে সার্টিফিকেশন থাকে তাহলে আপনি এমনকি জব  পেয়ে যেতে পারেন। ফুলটাইম আমেরিকান কোম্পানিতে জব  পেয়ে যেতে পারেন লিংকডইনে।

 

আর আপনার সার্ভিস যদি ক্রিয়েটিভ হয়

যেমন

  • গ্রাফিক্স ডিজাইন।
  • মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন।
  • ভিডিও এডিটিং

তাহলে আমি recomment করব বিহেন্স এরকমই যে সব ওয়েবসাইট আছেসেখানে আপনি পোর্টফোলিও আপলোড করতে পারেন। তাদের ইন্টারফেস গুলো খুবই সুন্দর , সো সেখান থেকে  আপনি ক্লাইন্ট পেতে পারেন।

 

আপনার পোর্টফলিওতে আপনার বেস্ট কাজগুলো আপনি শোকেস করবেনআপনার পোর্টফোলিও হচ্ছে আপনার একটা দোকানের মত। আপনার অনলাইন স্টরেল মত। ক্লাইন্ট সেখানে যাবে আপনার কাজগুলো দেখবে , আপনার প্রিভিয়াস এক্সপেরিয়েন্স গুলো দেখবে এবং তারপরেই আপনাকে হায়ার করবেন। 


নাম্বার স্টেপ:-

আপনি যেই স্কিল  টা ফাস্টে আপনি সিলেট করছিলেন , আপনি যে নিস  আপনি কাজ করতে চাচ্ছেন ওই নিস টা পুরা আপনার যে সার্ভিস গুলো আপনি প্রোভাইড করবেন এটা প্রপারলি আপনার শিখতে হবে। যাতে করে এই সার্ভিসটা আপনি আপনার ক্লাইন্ট এর প্রোভাইড করতে পারেন। আপনার যদি ক্লাইড আপনাকে কাজ দেয়। আপনি সেই কাজটা কমপ্লিট করে , আপনার মধ্যে এমন একটা কনফিডেন্স থাকতে হবে যে আমি ওই কাজটা কমপ্লিট করে আমি ক্লায়েন্ট থেকে আপনি ফাইভস্টার ফিডব্যাক আপনি নিতে পারবেন।

 

আপনার মধ্যে যখন প্রপারলি একটা কনফিডেন্স চলে আসবেআপনি যখন মনে করবেন যে আমি এই কাজটা আমি কমপ্লিটলি করতে পারব। ঠিক তখনই আপনি জব এপ্লাই করবেন তখনই আপনি গিগ তৈরি করবেন। আদারওয়াই আপনি ফ্রিল্যান্সিংয়ে কন্টিনিউ আপনি করতে পারবেন না। আপনি ফ্রীল্যান্সিংয়ে সফল হতে পারবেন না।  প্রথমে আপনার কাজ জানা লাগবেসো আপনি যদি কাজ  না জানেন তাহলে আপনি ক্লাইন্টকে কি প্রোভাইড করবেন?  ফ্রিল্যান্সিং কোন স্ক্যাম না এটা প্রপার একটি বিজনেস। আপনার সার্ভিসগুলো আপনার ওয়েব সাইটে লিস্ট করা থাকবে এবং ক্লায়েন্ট সেই সার্ভিসগুলো পার্সেস করবে এবং তার বিনিময়ে আপনাকে পে করবে।

 

সো সার্ভিসটা হচ্ছে আপনার ডেফিনিটলি আপনার ক্লায়েন্টের কাজ করতে হবে। এবং প্রপারলি আপনার ক্লায়েন্টকে একটা ভ্যালু প্রোভাইড করতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনার স্ক্রিনটা পুরোপুরিভাবে শেখা লাগবেআপনি যদি পুরোপুরি স্ক্রিল না সেখেন তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিংয়ে বেশিদূর আগাতে পারবেন না। সো আগে আপনাকে স্কিলটা প্রপারলি শিখে তারপর আপনি মার্কেটপ্লেসে যাবেন। ইনশাল্লাহ আপনি যদি প্রপারলি ট্রাই করেন , প্রপারলি আপনি যদি চেষ্টা করেন ,ডেফিনিটলি আপনি কাজ  পেয়ে যাবেন এবং আপনি ফ্রীল্যান্সিংয়ে সফল হতে পারবেন।


কাজ কোথা থেকে শিখবেন?

অনেকে বলে যে ভাই কাজ কোথা থেকে শিখব,  আপনার মধ্যে যদি আগ্রহ থাকে ইচ্ছা থাকে তাহলে আপনি কাজ কোথাও না কোথা থেকে শিখে ফেলবেন ই। সো কাজ শিখবেন এই ২০২৩  আপনি কাজ কোথা থেকে শিখবেন?

এখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট আপনাকে হেল্প করবেইউটিউব আছে আপনার উর্মি আছে সো আপনি ইউটিউবে সার্চ করেন self-learning

 

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার self-learning করতে হবে আপনি self-learning ছাড়া আপনি বেশি দূর আগাইতে পারবেন না আপনার নিজে থেকে শিখতে হবে। আপনি প্রবলেম ফেস করবেন সেই প্রবলেমটা আপনার নিজে থেকে শিখে এসে সেই প্রবলেমটা সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। আপনাকে কেউ হেল্প করতে আসবে না। অন্য ফ্রিল্যান্সারদের ডেফিনিটলি টাইম এর মূল্য আছে তাই আপনাকে কেউ গাইড দিবেনা। হ্যান্ড বাই হ্যান্ড কেউ শেখাবে না। আপনার নিজে থেকে শিখতে হবে।  ইনশাআল্লাহ আপনি পারবেন আপনি যদি ট্রাই করেন। আপনি যদি চেষ্টা করেন।


কাজ শেখার জন্য আপনার ইউটিউব বেস্ট মনে করি , ইউটিউবে সার্চ দিলে যেকোনো স্কিল আপনি পেয়ে যাবেন। তারপরও ইউটিউবে আপনার গোছানো থাকেনাইউটিউবে স্ট্রাকচার থাকেনা প্রপারলি। তারপর আপনি উর্মি থেকে কোর্স নিতে পারেন। ১২ ডলারে বাংলাদেশি টাকায় 12 - 13 টাকায় আপনি ভালো কোর্স পয়ে যাবেন। বারোশো টাকায় একটা স্কিল আপনি শিখে ফেলতে পারবেন। সো আমার মনে হয় যদি আপনার আগ্রহ থাকে আপনি স্কিল ইজিলি শিখতে পারবেন।

 

নাম্বার স্টেপ:-

ধরেন কাজটা আপনি প্রপারলি শিখে ফেলছেন এখন আপনার কি করতে হবে ?

এখন আপনার ডেফিনেটলি ক্লাইন্ট খুঁজতে হবে। আর ক্লাইন্ট খোঁজার জন্য অবশ্যই আপনার মার্কেটপ্লেসে যেতে হবে। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে মার্কেটপ্লেসে যেতেই হবে। মার্কেটপ্লেসে আপনি বিগিনার হিসেবে ফাইবার সিলেট করতে পারেন। অথবা আপনি upwork  ট্রাই করতে পারেন। বাট ফাইবার আমি সাজেস্ট করব। কারণ ফাইবারে আপনি ছোট ছোট জব করে আপনার মধ্যে স্কিল চলে আসবে। আপনি প্রপারলি শিখে যাবেন , দেন আপনি upwork  যেতে পারেন। ইউ ক্যান গুড টু গো।


 ফাইবার এবং upwork  নিজস্ব সুবিধা এবং অসুবিধা রয়েছে:-  ফাইবার হলো মাইক্রোজব এর জন্য পারফেক্ট। ফাইবারে আপনার কোন ক্লাইন্ট  আপনার সাথে মিটিং করতে চাইবে নাকিন্তু upwork  ৯০ক্লাইন্ট  আপনার সাথে মিটিং করেদেন আপনাকে কাজ দিবে। যা আপনি প্রপারলি ওই জবটার জন্য ফিট। কারণ ফাইবারে একটি ক্লায়েন্ট আপনার ১০০০ ডলার থেকে শুরু করে  লাখ ডলার পর্যন্ত এক ক্লায়েন্ট ফ্রিল্যান্সারদের পেছনে খরচ করে থাকে। তাহলে ডেফিনেটলি তারা তাদের জবের জন্য যে পারফেক্ট ফিট যে ফ্রিল্যান্সার আছে তাদেরকে হায়ার করবেবিগেনার হিসেবে আমি রিকমেন্ড করব আপনি ফাইবারে জান ,freelancer.com  জান। ছোটখাটো কিছু জব কমপ্লিট করেনদেন আপনি upwork  যান।

 

কারণ হচ্ছে upwork খুবই প্রফেশনালদের জন্য। upwork  আপনার কাজ করতে হলে আপনার মাস্ট বি প্রফেশনালিটি থাকা লাগবে প্লাস আপনার ক্লায়েন্টের সাথে মিটিং করা লাগবে। সো  ক্ষেত্রে আপনার ইংলিশটাও শেখা লাগবে। ইংলিশে প্রপারলি আপনার ক্লায়েন্টের সাথে কমিনিকেশন করতে হবে। একটা প্রজেক্ট কমিউনিকেশন হচ্ছে কি টু সাকসেস। আপনি যদি ক্লায়েন্টের সাথে প্রপারলি প্রফেশনালি কমিউনিকেট করতে পারেন। তাহলে ডেফিনেটলি আপনি জবে ফাইভস্টার ফিডব্যাক পাবেন। আর আপনি কাজটা যদি কমপ্লিট করতে পারেন। আর এমনও কাজ আছে আপনি প্রপারলি কমপ্লিট করে দিলেন তারপরও আপনার ক্লায়েন্টের সাথে মিস কমিউনিকেশন হলো। তাহলে আপনি ওই জবটাতে আপনি ওয়ান স্টার ফিডব্যাক পাবেন।

সো কমিউনিকেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ আপনার ফ্রিল্যান্সিং  সাকসেসের জন্য।

আপনি ভাবতেছেন যে আমি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো কিন্তু আমি তো ইংলিশ জানিনা ,  আপনার ডেফিনেটলি ইংলিশ জানা লাগবে কারন আপনার সব ক্লায়েন্টের সাথে আপনার কমিউনিকেশন করতে ইংলিশ লাগবে। আপনার মনে রাখতে হবে ক্লাইন্টা বাইরের ইন্টার্নেশনাল ক্লাইন্ট। এক্ষেত্রে ইংলিশটা আপনার জানা লাগবেসো আপনি যদি ইংলিশ না পারেন আপনি যদি ইংলিশ না বুঝেন তাহলে আপনি ইংলিশ লিখতে পারেন। ইউটিউবে অনেক চ্যানেল আছেইউটিউবে সার্চ দিলে আপনি আস্তে আস্তে করে চর্চা করে আপনি ইংলিশ শিখে ফেলতে পারবেন।  একদিনে আপনি শিখতে পারবেন ডেফিনিটলি টাইম লাগবে। সো আস্তে আস্তে করে আপনি শিখে ফেলতে পারেন।

 

ধরেন আপনি এখন প্রপারলি আপনার প্রফাইল ক্রিয়েট করে ফেলছেনআপনার upwork বা ফাইবারের আপনি যেখানে শুরু করতে চানসেখানে প্রফাইল ক্রিয়েট করে  ফেলছেন গিগ ক্রিয়েট করছেন। সো এখন আপনার কাজ হবে আপনার সার্ভিস টা মার্কেটিং করা। 

 

মার্কেটিং কিভাবে করবেন?

মার্কেটিং আপনি কিভাবে করতে পারেন। আপনি যদি ফাইবারের ফ্রিল্যান্সিং করেন তাহলে আপনি গিগ ক্রিয়েট করতে পারেন। ফাইবারের নিজস্ব মার্কেটিং সিস্টেম আছেআপনি সেটার জন্য যদি এলিজাইবেল হলে আপনি সেটা দিয়ে আপনি ডলার খরচ করে আপনার যে গিগ টা আপনি প্রমোট করতে পারেন। অথবা আপনার গিগটা অপটিমাইজ করার মাধ্যমে আপনার যে লোকাল এসইও করার মাধ্যমে প্রপারলি অপটিমাস করার মাধ্যমে আপনার গিগ  আপনি ভিডিও ইউজ করে আপনার সুন্দর একটা অ্যাক্টিভ ইমেজ ইউজ করে , আপনি আপনার গিগ টা কে মার্কেটিং করতে পারেন।

 

আপনি যদি আপনার গিগ টা আপনার যে কম্পিউটার আছে আছে তাদের থেকে ডিফারেন্ট কিছু করতে পারেন তাহলে ডেফিনেটলি ক্লাইন্ট আপনাকে হায়ার করবে।  সো এখানে কোন ডাউট এল কিছু নাই। যদি ক্লায়েন্ট আপনার গিগে ভ্যালু খুঁজে পায় আপনাকে হায়ার করবেই।

চলুন জেনে নিই ফাইনাল স্টেপ  কি করবেন? বিল্ড রিলেশনশিপ উইথ ইউর ক্লায়েন্ট:- ধরেন আপনি কাজ করা শুরু করে দিয়েছেন ? ছোটখাটো করে আস্তে আস্তে করে বড় বড় প্রজেক্ট পাচ্ছেনসো it's নাসিরেরি টু বিল্ড রেলেশনশিপ উইথ ইউর ক্লাইন্ড সো আপনার রিলেশনশিপ তৈরি করতে হবে আপনার ক্লাইন্ড এর সাথে। আপনার পুরোপুরি কমিউনিকেশন শিখে আপনাকে ক্লায়েন্টের সাথে প্রপারলি কমিউনিকেশন করতে হবে। আপনি যদি তাকে একটা ভ্যালু দিতে পারেন। তার কোম্পানিতে যদি আপনার দরকার হয় ডেফিনেটলি আপনার সাথে তারা long-term কাজ করবে এবং আপনাকে হায়ার করবে। একজন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে আপনার লং ট্রাম কাজের কোন বিকল্প নাই।

 

আপনি যদি লং টাইম কাজ পান তাহলে মনে হয় না আপনার অন্য কোন জবে আর এপ্লাই করা লাগবে‌। তাই আপনি যদি আস্তে আস্তে ক্লায়েন্টের সাথে রিলেশনশিপ তৈরি করেন। আর ক্লাইন্ট যদি আপনার থেকে প্রপারলি ভ্যালু পায় তাহলে ডেফিনেটলি সে আপনাকে ফুল টাইম হায়ার করবে। সো এটা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনার ক্লায়েন্টের সাথে একটা প্রপারলি কম্বিনেশনের মাধ্যমে আপনার রিলেশনশিপ বিল্ড করতে হবে। যাতে করে সে আপনাকে ফুল টাইম হায়ার করতে পারে।

 

মনে রাখবেন ফ্রিল্যান্সিং কোন স্ক্যাম না আপনার ক্লাইন্টকে আপনাকে হ্যাপি করতে হবেআপনার ক্লাইন্ট যদি স্যাটিস্ফাইড না হয় তাহলে কিন্তু আপনি কখনোই এই সেক্টরের সাকসেস হতে পারবেন না। তাই সব সময় আপনার ক্লাইন্টকে ভ্যালু দিবেন ইনশাল্লাহ সাকসেস হয়ে যাবেন এই সেক্টরে।


শেষ কথা:-

আপনি যদি উপরের স্টেপ গুলো প্রপারলি ফলো করেন তাহলে ইনশাআল্লাহ আপনি খুবই দ্রুত ফ্রিল্যান্সিংয়ে সাকসেস হতে পারবেন। এবং সেই সাথে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারবেন। আশা করছি আপনি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সিং হবেন এবং এই সেক্টর থেকে আপনি টাকা ইনকাম করবেনযদি বুঝতে কোথাও অসুবিধা হয় তাহলে কমেন্ট সেকশনে জানাবেন সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করব। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি দেখা হবে পরবর্তী কোন ব্লগে ততক্ষণ পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। এবং পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করে দিন। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি ভালো থাকুন ধন্যবাদ।

#make money online 

#work from home

#earn money